• মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ০৪:২৮ অপরাহ্ন |

নির্বাচনের প্রস্তুতি নিতে বললেন খালেদা

খালেদাসিসি ডেস্ক : আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত না হলেও পৌর নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে শরিক দলগুলোর নেতাদের নির্দেশ দিয়েছেন ২০ দলীয় জোটের নেত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। একই সঙ্গে জোটের পক্ষ থেকে যেসব প্রার্থী দেওয়া হবে তাদের পক্ষে কাজ করতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

বৃহস্পতিবার রাতে জোটের শরিক দলগুলোর শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠককালে বিএনপি নেত্রী এ নির্দেশ দিয়েছেন। দীর্ঘ দিন পর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে জোট নেতারা বৈঠকে মিলিত হন।

রাত ৯টায় বৈঠক শুরু হয়। চলে রাত ১১টা পর্যন্ত। এ সময় অন্যান্য বিষয়ের পাশাপাশি আসন্ন পৌর নির্বাচন নিয়েও আলোচনা হয়। জোট নেতারা পৌর নির্বাচনে অংশ নেওয়া-না নেওয়ার বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত দেওয়ার জন্য বিএনপি নেত্রীর ওপর আস্থা রেখেছেন। অর্থাৎ তিনি যে সিদ্ধান্ত নেবেন তাই চূড়ান্ত হিসেবে বিবেচিত হবে।

বৈঠক শেষে বিএনপির মুখপাত্র আসাদুজ্জামান রিপন বলেন, দলের শীর্ষ নেতাদের মতো জোট নেতারা পৌর নির্বাচন নিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে বিএনপি চেয়ারপারসনের ওপর দায়িত্ব দিয়েছেন। তিনি এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন।

বিএনপি নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে কি না- এ প্রশ্নের জবাবে তিনি সরাসরি কোনো উত্তর না দিয়ে বলেন, দ্রুতই বিষয়টি জানানো হবে।

বৈঠকে ২০ দলীয় জোটের নেতাদের মধ্যে জামায়াতে ইসলামীর আবদুল হালিম, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, এলডিপির রেদোয়ান আহমেদ, জাগপার শফিউল আলম প্রধান, জাতীয় পার্টির (কাজী জাফর) এম আলম, খেলাফত মজলিশের আহমেদ আবদুল কাদের, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, এনডিপির খন্দকার গোলাম মোর্ত্তজা, বাংলাদেশ ন্যাপের জেবেল রহমান গানি, ন্যাপ ভাসানীর আজহারুল ইসলাম, মুসলীম লীগের শেখ জুলফিকুর চৌধুরী বুলবুল, পিপলস লীগের সৈয়দ মাহবুব হোসেন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের মুফতি মুহাম্মদ ওয়াক্কাস, সাম্যবাদী দলের সাঈদ আহমেদ, ডিএলের সাইফুদ্দিন আহমেদ মনি, ইসলামিক পার্টির আবুল কাশেম, কল্যাণ পার্টির এম এম আমিনুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি নেতাদের মধ্যে ছিলেন চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক এবং আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামান রিপন।

এর আগে বুধবার রাতে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্যসহ শীর্ষ নেতাদের নিয়ে বৈঠক করেন খালেদা জিয়া। দুই ঘণ্টাব্যাপী ওই বৈঠকে দলটির নেতারা দলীয় প্রতীকে পৌর নির্বাচনে অংশ নেওয়া-না নেওয়ার বিষয়ে পক্ষে-বিপক্ষে তাদের যুক্তি তুলে ধরেন।

দেশের ২৩৬ পৌরসভায় ৩০ ডিসেম্বর ভোটের তারিখ নির্ধারণ করে মঙ্গলবার নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ। পরে আরো দুটি পৌরসভায় ভোটগ্রহণের প্রজ্ঞাপন জারি করে কমিশন।

সিইসি জানান, আগ্রহী প্রার্থীরা ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। মনোনয়নপত্র বাছাই হবে ৫ ও ৬ ডিসেম্বর। বৈধ প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ সময় ১৩ ডিসেম্বর। ভোট হবে ৩০ ডিসেম্বর।

এই প্রথম দলীয় প্রতীকে পৌরসভায় নির্বাচন হচ্ছে। এক্ষেত্রে মেয়র পদে দলীয় মনোনয়নের সুযোগ রাখা হলেও কাউন্সিলর পদে আগের নিয়মে স্বতন্ত্রভাবে প্রার্থী হতে হবে।

 


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আর্কাইভ